বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

তিতাস একটি নদীর নাম

হিন্দোল ভট্টাচার্য

জেনেছি, এইভাবেই সব জল শুকিয়ে আসে, নদীও রাস্তা বদলায়, ফাঁকা
একটি চরার কাছে শুরু হয় প্রস্তুতি। যেন জোয়ার আসবে। একটি বাঘের মতো
গুঁড়ি মেরে বসে আছে চাঁদ। আমি তার দুঃখটুকু ভাবি। যেন হাইস্কুলের দারোয়ান
দুঃখ নিতে নিতে আসে, দুঃখ নিতে নিতে চলে যায়। বাজে লালনগান।
বুঝতে পারি, ভাঙা দেওয়ালের ফাঁকফোকরে যেটুকু ইতিহাস থাকে, তার পাশে
রয়েছে একটা পুরনো রেলস্টেশন। মিটারগেজ লাইন, তাতে শ্যাওলা পড়ে গেছে।
ক্রমাগত টেলিফোন বাজছে কোথাও। ওকে হাওয়াবদল করে আসতে বোলো।
যে কোনও জলের ধারা নদী নয়, তবু নদীর রেখা যেন। সেও শুকিয়ে যায়। দূরে রোদ্দুর।
আমি তাকে বিশ্বাসঘাতক ভাবি না। মেয়েদের স্কুলছুটি হল। ঈশ্বরকাকুর সাইকেল রিকশায়
ষোড়শীর বিষাদ দেখি। কে তুমি একতারা আজ? বেজে ওঠো, ছিঁড়ে ফেলো সুর?
এখন পোস্টকার্ড দেখলে প্রজাপতি ওড়ে কুয়াশায়। বাঁশি, তুমি পান্নালাল ঘোষ।

অঙ্কন : দেবাশীষ সাহা
1 Comment
  1. রবীন বসু says

    সুন্দর সব কবিতা

মতামত জানান

Your email address will not be published.