বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

বিরুদ্ধ-সাক্ষ্য

...শোষকের ভাষাকে হাতিয়ার করে শোষকের বিরুদ্ধে লড়া বেশ অসুবিধাজনক হয়ে পড়ে। তবুও মানুষ লড়ে যায়, ঘাতকের ভাষাটি রপ্ত করে সে ঘাতককে আক্রমণ করে, তার প্রতিবাদ জানায়, তার স্বরকে তুলে ধরে।

দেশান্তর থেকে ঘরে ফেরার পর

তার মনে হল সে নীলনদের জলের মধ্যে আছে বটে কিন্তু সে এই নীলনদের অংশ নয় আদৌ। তখুনি, সম্ভবত জীবনে প্রথমবার সে সিদ্ধান্ত নিল— সে বাঁচতে চায়। মৃত্যু নয়, সে চায় জীবন।

জীবনযাপনের ব্যবহারবিধি

১৯৭৫ সালে বার্টলেবুথ যেদিন মারা যান সেদিন তিনি তাঁর ৪৩৯তম ছবিটার পাজল সমাধান করছিলেন। তাঁর ছবিটার যে অংশটা ফাঁকা ছিল সেটার আকার ছিল ইংরেজি X অক্ষরের মতো, আর তাঁর হাতে ধরা ছবির টুকরোটা ছিল ইংরেজি W অক্ষরের মতো।

নেরুদার ডাকহরকরা

সেইসব প্রেমপত্র যখন প্রেমিকার মায়ের হাতে পড়ে তখন তিনি মেয়েকে জানান, এসব তো নেরুদার লেখা কবিতা যা থেকে মারিও চুরি করে লিখেছে, যেমন করে বহুবছর আগে তার বাবাও তাকে লিখেছিল।

হিমশীতল গল্পরা

পাঠক অনুভব করবেন এক জ্বলন্ত কুণ্ডের ভিতর বসে থাকা লেখককে, অনুভব করবেন সেই নরককে যার মধ্যে বাস করতে বাধ্য হচ্ছি আমরা, এক ফ্যাসিস্ত সময়ের মধ্যে বাধ্যত দিন গুজরান করা মানুষজন।

এই মর্তের রাজত্ব

ইতিহাসকে আশ্রয় করে গড়ে উঠলেও এ যেন কোনও ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাস নয়। কারণ, এখানে পদে পদে ভেঙে দেওয়া হয়েছে ইতিহাসের কালক্রম, ভৌগোলিক পরিসর, হাইতির বিপ্লবের সঙ্গে মিশে গেছে ফরাসি বিপ্লব।

অলক্ষ্য জনপদ

পঞ্চান্নটি ছোট ছোট রচনার (Text) মধ্যে এখানে বর্ণিত হয়েছে কল্পনার বা বাস্তবের শহরের কল্পিত বর্ণনা, যার অনেকগুলোই সংস্কৃতি, ভাষা, সময়, স্মৃতি, মৃত্যু বা সাধারণ মানুষের নানান অভিজ্ঞতার প্যারাবল-প্রতিম এক গভীর অনুধ্যান।