বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

সেকেলে গপ্পো 

নিজে ডাক্তার হয়েও পুত্রসন্তানকে বাঁচাতে না পারার ব্যর্থতা তাঁকে প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খাচ্ছিল। সাধারণ মানুষের স্বার্থে কিছু করার জন্য আগের থেকেও আরও উদগ্রীব হয়ে উঠলেন তিনি। ডায়বেটিস রোগের কোনও ওষুধ ছিল না তখন। এই রোগ নিরাময়ের জন্য শুরু করলেন…

সেকেলে গপ্পো 

একসময় যা ছিল গাঁ-গঞ্জ, মফসস্‌ল এলাকায় চাষের জন্য অপরিহার্য, আজ তা শুধু উপেক্ষিতই নয়, মানুষের অপরিণামদর্শিতায় রীতিমতো ব্রাত্য। রুটিরুজির নামে লোভের বলি নয়ানজুলি।

সেকেলে গপ্পো 

শহরজীবন থেকে একটু একটু করে উনুন বা স্টোভকে সরিয়ে যতদিনে গ্যাস ওভেন তার জায়গা পাকা করেছে ততদিনে গোকুলে নিঃশব্দে রচিত হয়েছে ‘আঁচবধ কাব্য’। শব্দের এই ভবিতব্যের নেপথ্যে রয়েছে তার বস্তুবাদী মানসিকতা।

সেকেলে গপ্পো

পোড়ামাটির তুলসীমঞ্চের এই ধারণা নিভু নিভু করে এখনও টিকে আছে দুই মেদিনীপুর-সহ বীরভূম জেলায়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মৃৎশিল্পী তথা কারিগরের ব্যক্তিগত সৃজনশীলতার প্রকাশ ছিল এইসব তুলসীমঞ্চ। পাশাপাশি গ্রামীণ শিল্পকলা, লোকভাবনা, প্রত্নতত্ব ও…

সেকেলে গপ্পো

নাগরিক ও কেতাবি দৃষ্টিকোণ থেকে এহেন লোকসংস্কৃতির কৌলীন্য না থাকতে পারে কিন্তু সে যুগে ছেলেমেয়েদের বিয়ের বয়সের কথা মনে রাখলে অস্বীকার করার উপায় নেই, প্রাকৃতিক নিয়মে ভেতরে গোপনে উঁকি দেওয়া শরৎকুসুম তাদের বয়ঃসন্ধির চৌকাঠ পার করে দিত এহেন…

সেকেলে গপ্পো

রকের মজলিশ যেন লোক-আদালত। দুনিয়ার তাবড় রাষ্ট্রনায়ক থেকে হলি-বলি-টলিউডের সেলেব্রিটিদের বিচার করে তৎক্ষণাৎ রায়দান হয়ে যেত। কথার তোড়ে হার মানবে ফাস্ট ট্র‍্যাক আদালতের ওয়ার্ক কালচারও।

সেকেলে গপ্পো

আপাতদৃষ্টিতে অশ্লীলতা-দোষে দুষ্ট মনে হলেও ওটা ওপরের আবরণমাত্র। ঠিক তার নীচেই পাবেন জীবনের স্পন্দন। ভাষাবিদের কাছে মেয়েলি শব্দের ভাণ্ডার, নৃত্যবিদের কাছে নতুন ভাবনার খোরাক।

সেকেলে গপ্পো

ছিপ ফেলে যাঁরা মাছ ধরেন তাঁদের মধ্যে কাউকে কাউকে দেখা গেছে বঁড়শি দিয়ে দাঁত খোঁচাতে। এর পেছনে সক্রিয় এক লোকবিশ্বাস। বঁড়শি দিয়ে দাঁত খুঁচিয়ে সেই বঁড়শিতে টোপ পরালে তাতে ভাল মাছ ধরা পড়বে।

সেকেলে গপ্পো

ব্যান্ডের মূল শিল্পী বা সূত্রধর হলেন ব্যান্ডমাস্টার। প্রত্যেকটি ব্যান্ডের সুরের মূল কারিগরও ইনি। সুরের বোল ধরার কাজটা করেন ইনিই। সুরের মূর্ছনা ছড়িয়ে দেন বাঁশি জাতীয় শব্দযন্ত্রের মাধ্যমে।

সেকেলে গপ্পো

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের প্রপৌত্র কবি-চিত্রশিল্পী এবং বিশিষ্ট শিল্প সংগ্রাহক সুভো ঠাকুরের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছিল বার্মা টিকের তৈরি অপূর্ব কারুকাজ করা দেলকো।