বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

গল্প

বৃহস্পতিবার অথবা পুনর্বাসনের পাটিগণিত

এখানে আগামীকাল সকালের উদ্বেগ আর চিরকালীন সংশয়ের মাঝে শুধু আছে প্রতিশ্রুতির আলেয়া। ওদের শরীরের প্রতিটি ভাঁজে নদী থাকে। ঘোলা জল আর পাড় কাটার পহল। ঝুপ ঝুপ করে ভেঙে পড়ে মাটি, তলিয়ে যায় ফসল আর ফসলের গন্ধ। ভেঙে পড়ে বিশ্বাস।

খাজা কাঁঠাল

তাঁকে অন্ধকারে রেখে সানু এসব করেছে শুনেও রাগ করতে পারলেন না অঘোরবাবু। বরং যে শিকড় একদা তিনি উপড়ে ফেলেছিলেন সেই শিকড় আবার ছেলের হাতে প্রোথিত হচ্ছে দেখে খুশিই হলেন। মনে মনে একটু আবেগপ্রবণও হয়ে উঠলেন।

আকাশছোঁয়া

আমাদের পাশের পাড়ায় থাকে মেয়েটি। মধুজার কাছেই শুনেছি সে রাতুলদের ওই ইনস্টিটিউটেই পড়ে। নিশ্চয়ই পড়াশোনাতেও ভালই হবে। একদিন রাস্তায় দেখা হয়েছিল মেয়েটির সঙ্গে। লজ্জায় মাথা নিচু করে চলে গিয়েছিল। তার মানে ও আমাকে চিনত। রাতুলই হয়তো ছবি দেখিয়ে…

সারনেম

হাতে ধরা ফাইন্যান্সের ফাইল থেকে চোখ তুলে তাকাল অভি। প্রেজেন্টেশন স্লাইডসের পাশেই পাশাপাশি বুক চিতিয়ে পড়ে আছে ব্রায়ান আর জনের ভিজিটিং কার্ডদুটো। দুটো নেহাতই নিরীহ ভিজিটিং কার্ড, নাম এবং কনট্যাক্ট ডিটেইলস লেখা তাতে। আজ সেই আপাতনিরীহ…

পুরোটা পড়ুন

তার শাশুড়ি নকশিকাঁথা বুনত। ফোঁড় তুলে তুলে আঁকত মাছ, পাখি। সেই সুতো কোথা থেকে আসত জানো? তাঁতের শাড়ির পাড় থেকে তোলা হত সেই সুতো। চম্পাকলি তার শাশুড়ি-মা বিমলার কাঁধের কাছে মুখ নিয়ে বসে বসে তা শিখত। একদিন কী করি, কী করি ভাবতে ভাবতে চম্পা একটা…

কালো জলে রাঙা চিঠি

ওরা কিছুতেই বোঝে না, এটা কোনও অসুখই নয়। পাথরের গুঁড়োর সঙ্গে ছিল সিলিকার বিষ। নিশ্বাসের সঙ্গে ঢুকিয়ে নিয়েছি গাদা গাদা… অফুরন্ত। কলজেটা তার প্রতিশোধ নেবে না? হাওয়া থেকে আর পাক, পবিত্র অক্সিজেন টানতে পারছি না। কোন ওষুধ বাঁচাবে আমাদের?

সালিমা আন্টির ভাই

স্লিপার ক্লাসের জানলার ধারে সালিমা বসে আছে। আমাদের দেখে পিন্টু নেমে এল। আবার আমার ছেলেকে সালিমা ভ্রু কুঁচকে, ঠোঁট বেঁকিয়ে দেখতে লাগল। দেখতে দেখতে তার চোখ বড় আর লাল হয়ে গেল। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, খুব স্ট্রেস হচ্ছে।

সাড়া

নিতাইয়ের বাবার লুঙ্গি থাইয়ের ওপর উঠে যায়, এককালের খাটিয়ে জনার্দন মৃধার শরীরে রাঙের সুগঠন চোখ এড়ায় না মলুয়ার। খোঁচা দাড়ি, মলিন মুখ আর হাঘরে দৃষ্টিতে কী যেন খুঁজেই চলে। হাত বাড়ায় শূন‍্যে।

আত্মজা

সুশোভন যখন বুঁদ হয়ে থাকতেন অপরাজিতার শরীরে তখন কখনও রোদ, কখনও বা জ‍্যোৎস্না এসে ধরা দিত বিছানায়। লজ্জা বিসর্জন দিয়ে তিনিও মেতে উঠতেন রিপুর উত্তেজনায়। আর তখনই ঘটত বিপত্তি। নিমেষে সুশোভন হয়ে পড়তেন প্রেমিক থেকে ধর্ষক।