বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ভ্রমণ

আলিগড়ে যেতে যেতে

ঝাড়খণ্ডে হয়তো নদীর বুকে হাত পড়েনি কিন্তু অঢেল খনিজের লোভে বুক ফালা ফালা হয়ে যাচ্ছে মাটির। সরল, সাদাসিধে আমাদের আদিবাসী মানুষগুলোকে শুধু দু’বেলা খাবারের লোভ দেখিয়ে ভ্রষ্ট করা হচ্ছে। চলে যাচ্ছে তাদের পাহাড়, জঙ্গল, জল, নারী, প্রেম। সন্ধেয় নদীর…

ডোকরাশিল্পের আঁতুড়ঘর কুলিয়ানা

বড় গড়নের পালকিবাহক, সপরিবার দুর্গামূর্তি বা আদিবাসী যুগলমূর্তির দাম তেরো হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। এসবই নির্ভর করে মূর্তিটি গড়ার পেছনে কতখানি শ্রম, সময়, মনোনিবেশ, সাধনা ও কাঁচামাল লেগেছে। শিল্পীদের অভিযোগ, খদ্দেররা এই সমস্ত বুঝতে চান…

কস্তুরী সেনের দুটি কবিতা

ভ্রমণ পাহাড় এসেছে কাছে কী আশ্চর্য এত ভোর ভোর এসে পড়ল হাত ধরে পাঠে যাওয়া ভুটিয়া বালক হাত ধরে থাকাটুকু শেখা পথের প্রত্যেক বাঁকে বাঁকে তোমার দ্বিতীয় নারীর নামে নাম ফুটে উঠছে যেই বুনোফুল তাকে কি ফিরিয়ে দেওয়া…

জাকারান্ডা ও আর এক মহেশ্বর

ধর্মযুদ্ধে জয়ী হলেও পাণ্ডবদের পাপের ভার তো আর কৃষ্ণ নেবেন না। ভ্রাতৃহত্যা, গুরুহত্যা, ব্রাহ্মণহত্যার পাপ ঘাড়ে নিয়ে স্বর্গের পথ বন্ধ। কৃষ্ণের কথায় স্বর্গের ছাড়পত্র জোগাড় করতে তাঁরা চললেন শিবের কাছে। সবার ওপর শিব সত্য।

সিকিমের পাহাড়ে, পথে প্রান্তরে

পাথুরে দেওয়ালে আবিষ্কার করলাম প্রচুর নেপাল হাউস মার্টিনের বাসা। আর সেই বাসার মধ্যে মার্টিন-ছানা, মুখ বের করে মায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। কখন মা খাবার নিয়ে আসবে তার জন্য। মাঝে মাঝেই মা উড়ে এসে ছানার হাঁ করা মুখে খাবার ঢুকিয়েই আবার উড়ে…

ঘান্দ্রুক: সময় থমকে আছে যেখানে 

কোভিড-১৯ আর মানুষের উচ্ছলতা দমিয়ে রাখতে পারছে না। আমাদের হোম স্টে-ও জমজমাট। একটা বড় ধাতব ট্রে-তে কাঠ জ্বালানো হয়েছে। তারই ওম নিয়ে শরীরে বেশ আরাম বোধ হয়। রকমারি খাবারের আয়োজন সব রেস্তোরাঁয়।

নির্ঝরের রাজ্য কেওনঝড়

পূর্বে ময়ূরভঞ্জ ও ভদ্রক, দক্ষিণে জাজপুর, পশ্চিমে ঢেঙ্কানল ও সুন্দরগড় এবং উত্তরে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের পশ্চিম সিংভূম জেলা দ্বারা পরিবেষ্টিত কেওনঝড় শখের পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয় নাম নয়। আর নয় বলেই হয়তো তার প্রাকৃতিক লাবণ্য এখনও অটুট।

পেরুস্কোপ

পেরুর মানুষ নাকি আজও বিশ্বাস করেন একসময় এই টিলা থেকেই শুরু হত এক গুপ্ত সুড়ঙ্গপথ। ইনকা পূজারিরা নাকি এই সুড়ঙ্গপথে সুদূর কুজকোর কোরিচাঙ্কা মন্দিরে চলে যেতে পারতেন।

পেরুস্কোপ

হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছেছিলাম পুনোর প্লাজা (প্লায়া) দে আর্মাসে। দেখেছিলাম জোরদার কুচকাওয়াজ চলছে সেখানে। বুঝেছিলাম ২৮ জুলাই পেরুর স্বাধীনতা দিবসের মহড়া চলছে এখানেও, ঠিক আরেকিপার মতোই।

পেরুস্কোপ

উরোসরা টিটিকাকার নলখাগড়া দিয়ে তাদের নিজস্ব দ্বীপ তৈরি করে। টিটিকাকার নলখাগড়ার নাম টোটোরা। তারা এই টোটোরা রিড শুকিয়ে, স্তরে স্তরে গোছা বেঁধে সাজিয়ে, অনেকটা ভেলার মতো করে এমন দ্বীপ তৈরি করে যার ওপর সেই টোটোরা দিয়েই কুঁড়েঘরও বানানো যায়।